আগামী ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত ২৫ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনের এক সভায় এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।
এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরীর অফিস – আদালত থেকে শুরু করে অলিতে – গলিতে চলছে নানা রকম আলোচনা। কে পাচ্ছেন কোন দলের মনোনয়ন? আবার বিজয়ী ব্যাক্তির হাত ধরে নগরীর নানাবিধ সমস্যা সমাধান হবে কি না? বিশেষ করে জলাবদ্ধতা, যানযট ও আধুনিক পরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠবে কি না?
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন – ২০২২ এ যারা আলোচনায় রয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম বর্তমান সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য কাউসার জামান বাপ্পি, আওয়ামী লীগ নেতা কবিরুল ইসলাম শিকদার, কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার, মহানগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আনিসুর রহমান মিঠু, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আফজল খানের ছেলে মাসুদ পারভেজ খান ও মেয়ে আঞ্জুম সুলতানা সীমা। এছাড়া আর ও অনেকের নাম আলোচনায় রয়েছে।
আসন্ন সিটি নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিটির নাম কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার। নগরের বিভিন্ন এলাকাবাসী ও তরুণদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নিজাম উদ্দিন কায়সার খুবই মিষ্টভাষী, পরোপকারী ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন লোক। দলের নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি এক আদর্শের নাম।
নিজাম উদ্দিন কায়সার বর্তমানে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উচ্চ মাধ্যমিক পড়াকালীন তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর থেকে তিনি সরাসরি ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। এরপর তিনি কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিগত ২৫ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক জীবনে নিজাম উদ্দিন কায়সার বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার ও কারাবরণ করেছেন।
নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি একটি যৌক্তিক আন্দোলনে আছে। এই দলীয় সরকারের অধীনে বিএনপি কোনো স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। কিন্তু স্থানীয় রাজনীতির কারণে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের জন্য তিনি সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কুমিল্লা পৌরসভা থাকাকালীন বিএনপি সবসময় বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। সিটি করপোরেশন হবার পরও বিএনপি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মেয়র নির্বাচিত করেছে। বর্তমান সিটি মেয়র মনিরুল হক সাক্কু আওয়ামী ঘেঁষা হবার কারণে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আমাকেই মেয়র হিসেবে দেখতে চায়।
তিনি আরও বলেন, আমি সিটি মেয়র নির্বাচিত হলে আধুনিক পরিকল্পিত কুমিল্লা নগরী গড়ে তুলব। জলাবদ্ধতা ও যানযট নিরসনে সর্বোচ্চ জোর দিবেন। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি তারুণ্য নির্ভর কুমিল্লা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি কুমিল্লাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি সকলের সুস্থতা, শান্তি ও নিরাপদ জীবন কামনা করেন।












