আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কটিয়াদি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সফর করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন খন্দকার আল আশরাফ মামুন। তিনি কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদি) আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী। সফরকালে তিনি কটিয়াদি উপজেলার মসুয়া, গচিহাটা, বনগ্রাম, ধুলদিয়া, মানিকখালি ও করগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীর সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দীর্ঘদিন ধরে দলের সিনিয়র কোনো নেতা এলাকাবাসীর খোঁজ খবর নেন না। এসময় স্থানীয় নেতারা খন্দকার আল আশরাফ মামুনকে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

কটিয়াদি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সফরকালে খন্দকার আল আশরাফ মামুনের সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ ইলিয়াস, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি মোঃ ইলিয়াস কাঞ্চন ভুঁইয়া, সহ সভাপতি মোঃ শাকির আহমেদ, সহ সভাপতি মোঃ রাজন ভুঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজিব হাসান, পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মাজহারুল হক উজ্জল, সদস্য সচিব শাহীন আলম জনি সহ শত শত নেতাকর্মী।
খন্দকার আল আশরাফ মামুনের পিতা মরহুম খন্দকার শামসুল আলম ছিলেন এগারসিন্দুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য । ছাত্রাবস্থায় মামুন ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ক্লাস কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে যাত্রা শুরু। তারপর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য, যুগ্ম আহবায়ক, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন শেষে নির্বাচিত হন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য হিসেবে স্থানীয় রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন সম্প্রতি।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, খন্দকার আল আশরাফ মামুন অত্যন্ত সৎ, মেধাবী ও সাহসী। খন্দকার শামসুল আলম ও নুরজাহান বেগমের সাত সন্তানের মধ্যে মামুন তৃতীয়। ছোটবেলা থেকে তিনি পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। মামুন মঠখোলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাশ করার পর কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত সরকারি গুরুদয়াল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স মাস্টার্স করেছেন।
খন্দকার আল আশরাফ মামুনকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আতংক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি র্যাবের ক্রসফায়ার থেকে ফিরে আসা অকুতোভয় ও মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি শত শত মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ৭৮ টি রাজনৈতিক মামলার আসামি।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে খন্দকার আল আশরাফ মামুন বলেন, আমি দলকে সুসংগঠিত ও দলের সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য আমার অবস্থান থেকে কাজ করছি। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে দলই নির্বাচন করবে কটিয়াদি-পাকুন্দিয়ার যোগ্য প্রার্থী। আমাদের সবার এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার অন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করা, যাদুর বাক্স ইভিএম এর পরিবর্তে ব্যালট পেপার সিস্টেম ফিরিয়ে আনা এবং দেশের গনতান্ত্রিক আন্দোলনের আপোসহীন নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা ও আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানকে সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিবেশ তৈরি করা।











